বিপথগামী গরুদের স্কুলে পাঠাল গ্রামবাসীরা

লখনউ: কমবয়সী ছেলেমেয়েরা যাতে বিপথে না যেতে পারে সেই কারণে তাদের স্কুলে পাঠানো হয়। অনেক সময় জোর করে ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠিয়ে থাকেন অভিভাবকেরা। সেই স্কুলেই জায়গা করে নিয়েছে গরুর দল। গরুদেরকেও জোর করে ঢোকানো হচ্ছে স্কুলে। কারণ তারাও যে বিপথে চলে গিয়েছে।

এমনই ঘটনা ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের আলিগড়ের গড়াই এলাকায়। চলতি মাসের গত ২৪ এবং ২৫ তারিখের মধ্যে ৭০০টিরও বেশি গরুকে গড়াইয়ের সরকারি স্কুলে রাখা হয়েছে। এদের মধ্যে অনেক গরুকে আবার ঠাঁই দেওয়া হয়েছে স্থানীয় প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে।

স্থানীয় গ্রামবাসীদের উদ্যোগেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কারণ গরুগুলো খুব দুষ্টুমি করছিল। কোনও কথা শুনছিল না। সেই কারণেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। গ্রামবাসীদের বক্তব্য, “গরুগুলো আমাদের চাষের জমির ফসল নষ্ট করে দিচ্ছে। অনেকদিন ধরে প্রশাসনের কাছে গরুদের থাকার জন্য আলাদা ব্যবস্থা করার কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু কোনও কাজ হয়নি। তাই বাধ্য হয়েই স্কুল আর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গরুদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে।”

এই বিষয়ে অবগত রয়েছেন স্থানীয় প্রশাসনিক কর্তারাও। এই বিষয়ে আলিগড়ের জেলাশাসক সিবি সিং বলেছেন, “গরুদের জন্য পৃথক থাকার ব্যবস্থা করার কাজ চলছে। খুব শীঘ্রই তা সম্পন্ন হয়ে যাবে।” তাই বলে স্কুলের মধ্যে গরু থাকবে? এই প্রস্নের জবাবে তিনি বলেছেন, “স্কুলে এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গরু রাখার অভিযোগ আমাদের কাছে এসেছে। সাব ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট শীঘ্রই গড়াইতে গিয়ে গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলবেন। গ্রামের প্রধান আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি মিটিয়ে নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।”

বিপথগামী গরুদের নিয়ে প্রবল প্রতিকূলতার মধ্যে পড়েছেন উত্তর প্রদেশের বহু কৃষক। মারাত্মক সমস্যা দেখা দিয়েছে বুলন্দশহর এলাকায়। সেখানে গরুদের হাত থেকে চাষের জমি বাঁচাতে রাত জেগে জমি পাহাড়া দিচ্ছেন কৃষকেরা। এই শীতের মধ্যেও রাত জাগতে হচ্ছে কৃষকদের। এক কৃষকের কথায়, “নিত্যদিন আমাদের জমিতে হামলা চালাচ্ছে গরুর দল। সেই চিন্তা থেকেই শীতের মধ্যেও মাঠে বসে রাত জাগতে হচ্ছে।”

The post বিপথগামী গরুদের স্কুলে পাঠাল গ্রামবাসীরা appeared first on Kolkata24x7 | Read Latest Bengali News, Breaking News in Bangla from West Bengal's Leading online Newspaper.



from Kolkata24x7 | Read Latest Bengali News, Breaking News in Bangla from West Bengal's Leading online Newspaper http://bit.ly/2SiHRNH
via IFTTT

Comments