সাবধান! তেরঙ্গার সঙ্গে এই কাজগুলো করলেই কিন্তু বিপদ
নয়াদিল্লি: স্বাধীনতা দিবসের আগেই কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে দেশের সব নাগরিকদের প্লাস্টিক তেরঙ্গা ব্যবহার না করার আবেদন করা হয়েছিল৷ এর সঙ্গেই জাতীয় পতাকার সঙ্গে জড়িয়ে সব নিয়ম যেন প্রত্যেকে মেনে চলে সেই সম্পর্কেও জানায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক৷
স্বাধীনতা দিবসে পতাকা উত্তোলনের পরে বিভিন্ন স্থানে এই প্লাস্টিক পতাকা পড়ে থাকতে দেখা যায় যা দেশের পক্ষে অপমানজনক, আর এটি রুখতেই উদ্যোগী কেন্দ্র৷ প্লাস্টিক পতাকা না কেনার ক্ষেত্রে তাই জনসাধারণকে সচেতন করা হয়েছে৷ তবে এরই সঙ্গে জাতীয় পতাকার সঙ্গে জড়িয়ে বেশ কিছু নিয়ম-কানুনেও চলুন চোখ রাখা যাক৷ Prevention of Insults to National Honour Act, 1971 অনুযায়ী, (দেশের জাতীয় প্রতীকগুলিকে) না মানলে শাস্তির মুখে পড়তে হয়৷
ভারতের জাতীয় পতাকা সম্পর্কে এইসব তথ্য অবশ্যই জেনে রাখা উচিত সকল ভারতবাসীর…
-আইনত, কেবলমাত্র খাদিবস্ত্রেই জাতীয় পতাকা প্রস্তুত করার নিয়ম রয়েছে। প্রস্তুত পদ্ধতি ও নির্দিষ্ট নিয়মকানুন স্থির করা রয়েছে৷
– জাতীয় পতাকায় তিনটি আয়তকার প্যানেল রয়েছে৷ সবথেকে ওপরে গেরুয়া, মাঝে সাদা এবং নিচে সবুজ রং রয়েছে৷ মধ্যে নীল রংয়ে অশোক চক্র৷
– দৈর্ঘ্য-প্রস্থে এর অনুপাত হবে ৩:২.
– কোনও অবস্থাতেই জল বা মাটিতে এটি যেন না পড়ে৷
– পতাকার ক্ষতি হবে এমনভাবে সেটি যেন না রাখা হয়৷
– অর্ধেক উত্তোলন যেন না হয়৷ সঠিকভাবে উত্তোলন যাতে হয় সেই ব্যবস্থা করে রাখতে হবে৷ (যদিও কিছু কিছু সরকারি দফতরে বিশেষ কোনও ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম হয়ে থাকে)
– পোশাকে কোথাও জাতীয় পতাকার ব্যবহার যেন না করা হয়৷
– সোফার কুশন, রুমাল, ন্যাপকিন, কোথাও যেন একে ব্যবহার না করা হয় ভুলেও৷
– কোনও বাড়িকে ঢাকতে বা মূর্তি আচ্ছাদনে বা কোনও বাহন, ট্রেন, নৌকা, বিমানের আগে পরে নিচে কোথাও যেন একে আচ্ছাদন হিসেবে ব্যবহার না করা হয়৷
-কাটা-ছেঁড়া, নোংরা অবস্থায় পতাকাকে যেন উত্তোলন করা না হয় সেদিকে নজর রাখতে হবে৷
– গেরুয়া রংটি যেন ওপরের দিকেই থাকে৷ জাতীয় পতাকায় যেন কোনওরকম কিছু লেখা না হয়৷ জাতীয় পতাকায় (প্রজাতন্ত্র দিবস এবং স্বাধীনতা দিবসে উত্তোলনের সময় ফুল ছাড়া) কোনও কিছু না রাখা হয়৷
জাতীয় পতাকার ব্যবহার-
জাতীয় পতাকার ব্যবহার ও প্রদর্শনী সংক্রান্ত একাধিক প্রথা অনুসৃত হয়ে থাকে। বহির্দ্বারে আবহাওয়া ব্যতিরেকে সূর্যোদয়ের সময় পতাকা উত্তোলিত হয় এবং সূর্যাস্তের সময় তা নামিয়ে ফেলা হয়।
জাতীয় পতাকা কখনই উলটো অবস্থায় বর্ণনা করা, প্রদর্শিত করা, বা উত্তোলন করা অনুচিত। প্রথা অনুসারে পতাকাটিকে ৯০ ডিগ্রির বেশি আবর্তিত করা যায় না। কোনো ব্যক্তি যেন পতাকাকে উপর থেকে নিচে ও বাঁদিক থেকে ডান দিকে বইয়ের পাতার মতো “পড়তে” পারেন এবং আবর্তিত হওয়ার পরও যেন এই বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তন না হয়। ছেঁড়া বা নোংরা অবস্থায় পতাকার প্রদর্শনী অপমানজনক। পতাকাদণ্ড বা উত্তোলন রশির ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য; এগুলিকেও যথাযথভাবে ব্যবহার করতে হয়।
জাতীয় পতাকা ক্ষতিগ্রস্থ হলে বা নোংরা হলে, এটিকে ফেলে দেওয়া বা অমর্যাদার সহিত নষ্ট করা যায় না। জাতীয় পতাকাকে অসম্মান করলে(অগ্নিসংযোগ, ছিঁড়লে বা কোনওভাবে অপমান করলে) সেই ব্যক্তির তিন বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে৷ সঙ্গে জরিমানা৷
(উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত তথ্য অনুসারে)
The post সাবধান! তেরঙ্গার সঙ্গে এই কাজগুলো করলেই কিন্তু বিপদ appeared first on Bengali News | Latest Bengali News Live from Kolkata, West Bengal, India.
from Bengali News | Latest Bengali News Live from Kolkata, West Bengal, India https://ift.tt/2vJQyr6
via IFTTT
Comments
Post a Comment