RK NEWS
নয়াদিল্লি:বিজু জনতা দল ওরফে বিজেডিও ভোটাভুটিতে যোগ দেবে না, তারা কক্ষত্যাগ করল। ১৮ সাংসদের শিবসেনা জানিয়ে দিল তারা ভোটাভুটিতে অংশ নেবে না। অনাস্থা প্রস্তাবের ওপর ভোটের সময় গরহাজির থাকবে তারা। খানিকক্ষণের মধ্যেই সংসদে পেশ হবে নরেন্দ্র মোদী সরকারের বিরুদ্ধে প্রথম অনাস্থা প্রস্তাব। সঙ্গে সঙ্গেই হবে প্রস্তাবের ওপর ভোটাভুটি। তবে সংখ্যার হিসেবে পরিষ্কার, মোদী সরকারের সামনে কোনও বিপদ নেই। যদিও সবথেকে পুরো সঙ্গী শিবসেনা এভাবে মুখ ফেরানো তাদের কাছে নিঃসন্দেহে সুখবর নয়, যদিও সেনা স্পষ্ট করে দিয়েছে, তারা সরকারে থাকবে । শিবসেনার সাংসদরা অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে বারবার আলাদা আলাদা বক্তব্য রেখেছেন। আজই সেনা মুখপত্র সামনায় মোদী সরকারের তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে। ভোটের অল্প কিছু আগে তারা জানায়, ২০১৪-য় সরকার জনতাকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তা এখনও রাখেনি। তাই ভোটে যোগ দেবে না তারা। প্রধানমন্ত্রী আজ সকালে টুইট করে বলেছেন, আজ দেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ দিন। আমি নিশ্চিত, আমার সাংসদ সহকর্মীরা যাতে গঠনমূলক ও বাধাহীনভাবে বিতর্ক চলে, সেই পরিস্থিতি তৈরি করবেন। এটি জনগণ ও সংবিধান প্রণেতাদের প্রতি আমাদের কর্তব্য। ভারত আজ আমাদের প্রতিটি পদক্ষেপে দৃষ্টি রাখবে। [embed]https://twitter.com/narendramodi/status/1020127891986661376?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1020127891986661376&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.abplive.in%2Findia-news%2Fno-confidence-motion-live-updates-and-latest-news-on-parliament-monsoon-session-728348[/embed] মোদী সরকার জানিয়েছে, অনাস্থা প্রস্তাবের মুখোমুখি হতে তারা তৈরি, অনায়াসে পরাজিত করা হবে এই প্রস্তাবকে। উল্টোদিকে বিরোধীরাও এক চুল জমি ছাড়তে রাজি নয়, পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নামছে তারাও। বেলা ১১টা থেকে লোকসভায় শুরু হবে অনাস্থা প্রস্তাবের ওপর আলোচনা। এ জন্য সময় বরাদ্দ হয়েছে ৭ ঘণ্টা। তারপর ভোটাভুটি। বিতর্ক শুরু করবেন অনাস্থা প্রস্তাব আনা টিডিপি-র অন্ধ্রের গুন্টুরের সাংসদ জয়দেব গল্লা। বিজেপির হয়ে প্রধানমন্ত্রী সহ সব নেতা বিতর্কে অংশ নেবেন। জানা গিয়েছে, কংগ্রেসের বক্তব্য তুলে ধরবেন দলীয় সভাপতি রাহুল গাঁধী। শিবসেনা, বিজেডি, টিআরএস এখনও স্পষ্ট করেনি, তারা কাদের সঙ্গে থাকবে। ৩৭ সাংসদের এডিএমকে অবশ্য স্পষ্ট করে দিয়েছে, সরকারের হয়ে ভোট দেবে তারা। পাশাপাশি বিজেপির বিদ্রোহী সাংসদরাও এই ভোটাভুটিতে দলের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। গত ৪ বছরে বারবার মোদী সরকারের বিরোধিতা করা শত্রুঘ্ন সিংহ জানিয়েছেন, সরকারের হয়েই ভোট দেবেন তিনি। একইভাবে দলের বিরুদ্ধে একাধিকবার সরব হওয়া সাংসদ সাবিত্রীবাঈ ফুলেও জানিয়েছেন, ভোট দেবেন অনাস্থা প্রস্তাবের বিপক্ষে। [embed]https://twitter.com/ShatruganSinha/status/1020141812290183169[/embed] লোকসভায় ৫৪৩টি আসনের মধ্যে এই মুহূর্তে ৯টি ফাঁকা। ৫৩৪ আসন বিশিষ্ট লোকসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য তাই ২৬৮টি আসন। বিজেপির কাছে নিজেদের সাংসদ সংখ্যাই ২৭২। বাকি এনডিএ শরিকদের পাশে পেলে নিম্ন কক্ষে তাদের শক্তি ৩১২ হয়ে যায়, অর্থাৎ প্রয়োজনীয় সংখ্যার থেকে ৪৪ বেশি। এবার এডিএমকের ৩৭ জন সাংসদও প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দিলে সরকারপক্ষের সংখ্যা ৩৯৪-এ পৌঁছে যাচ্ছে। সব মিলিয়ে এটা পরিষ্কার, মোদী সরকার পড়ে যাওয়ার আজ কার্যত কোনও সম্ভাবনা নেই। এবার দেখে নেওয়া যাক বিরোধীদের সংখ্যা। ইউপিএ ৬৭, তৃণমূল কংগ্রেস ৩৪, বিজেডি ২০, টিডিপি ১৬, টিআরএস ১১, অন্যান্য ৩০। সব মিলিয়ে ১৭৮। এডিএমকে প্রথমেই বিরোধী জোট থেকে বেরিয়ে গিয়েছে, টিআরএস, বিজেডি যে তাদের ভোট দেবে তাও স্পষ্ট করে বলা যাচ্ছে না।
from https://ift.tt/2O4wAz4
via IFTTT
from https://ift.tt/2O4wAz4
via IFTTT
Comments
Post a Comment