RK NEWS

<strong>ম্যানিলা</strong>: এবার এশিয়ার সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান র‌্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার পাচ্ছেন দুই ভারতীয়। তাঁরা হলেন ‘থ্রি ইডিয়টস’ ছবির মাধ্যমে বিখ্যাত হয়ে যাওয়া সোনম ওয়াংচুক ও মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ভরত ভাটওয়ানি। আজ এই পুরস্কার প্রাপকদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। র‌্যামন ম্যাগসেসে অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট কারমেনসিটা অ্যাবেলা জানিয়েছেন, ‘যাঁরা এবার এই পুরস্কার পেলেন, তাঁরা প্রত্যেকেই এশিয়ার নায়ক। তাঁরা বৃহত্তর স্বার্থে কাজ করে চলেছেন এবং সমাজকে এগিয়ে যাচ্ছেন। প্রত্যেকেই অনগ্রসর ও প্রান্তিক মানুষের পাশে আছেন এবং আসল ও জটিল সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছেন। তাঁদের নেতৃত্বের ফলে অনেকেরই জীবনে পরিবর্তন এসেছে।’ <code><blockquote class="twitter-tweet" data-lang="en"><p lang="en" dir="ltr">HEROES OF HOPE<br><br>We proudly present to the world the latest recipients of Asia's Premier Prize and Highest Honor: the 2018 Ramon Magsaysay Awardees!<br><br>This is Greatness of Spirit.<br>This is Asia.<a href="https://t.co/2vcSgBJzm0">https://t.co/2vcSgBJzm0</a><a href="https://t.co/13iyCweLbi">https://t.co/13iyCweLbi</a><a href="https://twitter.com/hashtag/TheRamonMagsaysayAward?src=hash&ref_src=twsrc%5Etfw">#TheRamonMagsaysayAward</a> <a href="https://t.co/A4dwJ14Su4">pic.twitter.com/A4dwJ14Su4</a></p>— RamonMagsaysayAward (@rmafoundation) <a href="https://twitter.com/rmafoundation/status/1022316592426672128?ref_src=twsrc%5Etfw">July 26, 2018</a></blockquote> </code> ৫১ বছরের ওয়াংচুক শ্রীনগরের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ টেকনলজিতে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্র ছিলেন। ১৯৮৮ সালে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি অর্জন করার পর তিনি লাদাখের ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশোনায় সাহায্য করার জন্য একটি প্রতিষ্ঠান গড়েন। তখন লাদাখের ৯৫ শতাংশ পড়ুয়াই সরকারি পরীক্ষাগুলিতে অকৃতকার্য হতেন। তাঁদের জীবন বদলে দেন ওয়াংচুক। এই অসামান্য কাজেরই স্বীকৃতি পেলেন তিনি। মুম্বইয়ের বাসিন্দা ভাটওয়ানি ও তাঁর স্ত্রী রাস্তা থেকে মানসিক রোগীদের তুলে এনে ব্যক্তিগত চেম্বারে চিকিৎসা শুরু করেন। ১৯৮৮ সালে এই কাজই আরও বড় আকারে করার জন্য তাঁরা একটি সংস্থা তৈরি করেন। রাস্তায় পড়ে থাকা মানসিক রোগীদের বিনামূল্যে থাকার জায়গা, খাবার এবং চিকিৎসার সুযোগ দিয়ে পরিবারের লোকজনের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার কাজ শুরু করেন ভাটওয়ানি। এই কাজের স্বীকৃতি পেলেন তিনি। ১৯৫৮ সাল থেকে ম্যাগসেসে পুরস্কার দেওয়া শুরু হয়েছে। এটিকে ‘এশিয়ার নোবেল পুরস্কার’-ও বলা হয়। এবার মোট ৬ জন এই পুরস্কার পাচ্ছেন। ভারতের দু’জন ছাড়াও কম্বোডিয়ার ইয়ুক ছ্যাং, পূর্ব তিমরের মারিয়া ডে লুরডেজ মার্টিন্স ক্রুজ, ফিলিপিন্সের হাওয়ার্ড ডি ও ভিয়েতনামের ভো থি হোয়াং ইয়েন রম এই পুরস্কার পাচ্ছেন।

from https://ift.tt/2AcGADh
via IFTTT

Comments