RK NEWS

নয়াদিল্লি: রাহুল গাঁধীর ট্যুইট উল্লেখ করে আক্রমণ বিজেপির। কংগ্রেস সভাপতির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি মুসলিম বুদ্ধিজীবীদের সভায় বলেছেন, তাঁরা মুসলিমদের পার্টি। কংগ্রেসকে মুসলিম তোষণের অভিযোগে কাঠগড়ায় তুলেছে বিজেপি। যদিও কংগ্রেস এ ব্যাপারে এক উর্দু সংবাদপত্রে বেরনো রিপোর্ট অস্বীকার করে জানিয়েছে, তারা ১৩২ কোটি ভারতীয়ের পার্টি। আর রাহুল আজ ট্যুইট করেন, তিনি সমাজের প্রান্তিক, নির্যাতিত মানুষের পক্ষে। পংক্তির একেবারে শেষের লোকটির পাশে রয়েছেন। তাঁর কাছে জাতপাত, ধর্ম, সম্প্রদায় বিচার্য বিষয় নয়। এরপরই বিজেপি মুখপাত্র সম্বিত পাত্র সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, রাহুল একেবারে শেষের লোকটির সঙ্গে থাকার কথা বলেই স্বীকার করলেন যে, কংগ্রেস মুসলিমদের পার্টি। তাঁকে ওই মন্তব্য অস্বীকার করতে দেখলাম না আমরা। এটা স্বীকারোক্তি। কংগ্রেস সভাপতির ট্যুইট ব্যাখ্যার চেয়ে বেশি বিভ্রান্তি তৈরি করেছে বলেও অভিমত জানান পাত্র। কংগ্রেস 'ইচ্ছা করে চক্রান্তের' অঙ্গ হিসাবে একটা বার্তা দিতে চেয়েছে, রাহুলের মুসলিম বুদ্ধিজীবীদের সঙ্গে বৈঠকের খবর ফাঁস করেছে বলে অভিযোগ করেন পাত্র। বলেন, কংগ্রেস রাহুলের নামে ওই মন্তব্যের খবর প্রথম ছাপা উর্দু সংবাদপত্রটিকে আইনি নোটিস দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করলেও বাস্তবে তা করেনি, তাছাড়া একই সংবাদপত্রকে দেওয়া ইন্টারভিউয়ে কংগ্রেসের সংখ্যালঘু সেলের প্রধান নাদিম জাভেদ জানিয়েছেন, সত্যিই রাহুল ওকথা বলেছিলেন। পাশাপাশি এআইএমআইএম নেতা আসাদুদ্দিন ওয়েইসি সেনাবাহিনীতে মুসলিমদের সংখ্যা বেশি নয় বলে যে অভিযোগ তুলেছেন, সে ব্যাপারে পাত্র বলেন, এমন একটা প্রতিষ্ঠানকেও ওয়েইসি তাঁর বিভেদমূলক এজেন্ডায় জড়ালেন। কংগ্রেস নেতা বীরাপ্পা মইলিও আসাদুদ্দিনের সুরেই মন্তব্য করেছেন। রাহুল গাঁধী আর ওয়েইসির মধ্যে মহম্মদ আলি জিন্নাহর আদর্শের উত্তরাধিকার কব্জা করার লড়াই চলছে বলে মনে হয়। ইউপিএ জমানায় ধর্মের ভিত্তিতে সেনাবাহিনীর সেনসাস করার চেষ্টা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি। বলেন, সনিয়া গাঁধী, রাহুল গাঁধী, ওয়েইসিরা জিন্নার তত্ত্বের ভিত্তিতে ভারত ভাঙার চেষ্টা করছেন, কিন্তু সফল হবেন না। তিনি পীড়িতদের খুঁজে বের করে আলিঙ্গন করেন, সব জীবিত প্রাণকে ভালবাসেন এবং তিনি কংগ্রেস, রাহুলের এই ট্যুইটকে কটাক্ষ করে বিজেপি নেতাটি বলেন, এটা 'ইন্দিরাই ভারত, ভারতই ইন্দিরা', এই বিবৃতির মতোই। পাত্র বলেন, কংগ্রেস তার কয়েক দশকের শাসনে পংক্তিতে থাকা শেষ লোকটিকে শুধুই ঠকিয়েছে। অন্যদিকে বিজেপির তাত্ত্বিক দীনদয়াল উপাধ্যায়ই 'অন্ত্যোদয়', লাইনের শেষ লোকটিকে সামনে তুলে নিয়ে আসার কথা বলেছেন। মোদী সরকার এই দর্শন মেনেই সবকা সাথ, সবকা বিকাশ-এর লক্ষ্যে কাজ করছে, ভারতের সকলের উন্নয়ন করছে।

from https://ift.tt/2mpizPC
via IFTTT

Comments