ফ্লপ ‘গো স্লো’, বউয়ের মুখ ভুলে অফিসমুখী আমজনতা

সৌপ্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়, কলকাতা : বাস জয়েন্ট সিন্ডিকেটের অসফল গো’স্লোতে খুশি জনতা জনার্দন। সপ্তাহের প্রথম দিন ভোগান্তি থেকে বাঁচোয়া। তাই তারা বলছেন, ‘যা হয়েছে ভালোই হয়েছে।’

দুপুর বারোটা সোমবারের সাধারণ ব্যাস্ততা কলকাতা জুড়ে। হাওড়া স্টেশন থেকে একের পর এক বাস, মিনিবাস এগিয়ে যাচ্ছে কলকাতার দিকে। মনে হবে না শুধুমাত্র অফিস টাইমে তিন দিন বাস চালানো হবে বলে এমন কোনও ঘটনা ঘটবার কথা ছিল রাজ্যে। সুমিত মন্ডল সল্টলেকের আইটি সেক্টরের চাকুরিজীবী। বললেন, “আরে এই তো ভাড়া বাড়লো। আবার কেন এসব ঝামেলা বুঝলাম না। তাছাড়া এই পুজোর সময়ে বাস তো কম চলল। আবার বাস চলবে না। ভালোই হয়েছে সাপোর্ট পায়নি।”

গড়িয়াহাট যাবেন বলে বাসে উঠে বসেছিলেন তিমির সাহা। ব্যাংকে চাকুরিরত তিমির বাবু বলেন, “যে বা যারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল খুব ভুল সিদ্ধান্ত। ডিজেলের দাম বাড়ছে বটে কিন্তু তা বলে এভাবে ভোগান্তির মধ্যে ফেলার কোনও মানে হয় না।” কলেজ ছাত্রী সুস্মিতা রায় বলেন, “এমনিতেই তো আজকাল বাস কম চলছে। অনেকক্ষন দাঁড়িয়ে বাস পাই। একই তো ব্যাপার। তার উপর এগুলো জাস্ট বাড়াবাড়ি।” যাদবপুরের একটি ইঞ্জিনিয়ারিং ফার্মে চাকরি করেন সৈকত রায়। তিনি বলেন, “পরিবহণ বিষয়টাই জনতার উপর নির্ভরশীল। সেখানে তাদেরকেই ঝামেলায় ফেলার কোনও মানে হয় না।”
প্রতীক চন্দ বললেন, “এই উৎসবের মরসুমে বাস না বন্ধ হয়ে ভালোই হয়েছে। আমি ব্যবসা করে সংসার চালাই। মাঝে মাঝে বাসে ট্রাভেল করি। বড় বাজারে যারা ব্যবসা করেন বা খুচরো যারা দোকানে সেল করেন সকাল এগারোটা বা সন্ধ্যের পর বাস না চললে কি পরিমান অসুবিধা হতো বলুন তো। বাস চালক কন্ডাক্টররা তো ওই মাল উঠিয়ে ভালোই রোজগার করে। বিশেষ করে রাতের দিকে। ব্যবসার ক্ষতি মানে রাজ্যের ইকনমির ক্ষতি। এটা ভুল।”

সায়ন্তন সরকারি চাকুরে। মজার ছলে বললেন, “এতদিন ছুটি ছিল। বাড়িতে বউয়ের মুখ দেখতে দেখতে হাঁফিয়ে গিয়েছি। আর বাড়িতে থাকা যাবে না। এর বাইরেও জগৎ আছে।”

The post ফ্লপ ‘গো স্লো’, বউয়ের মুখ ভুলে অফিসমুখী আমজনতা appeared first on Kolkata24x7 | Read Latest Bengali News, Breaking News in Bangla from West Bengal's Leading online Newspaper.



from Kolkata24x7 | Read Latest Bengali News, Breaking News in Bangla from West Bengal's Leading online Newspaper https://ift.tt/2AAdImQ
via IFTTT

Comments